t678 শুধু একটা অনলাইন বেটিং সাইট না — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের একটা বিশ্বস্ত জায়গা। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষ ন্যায্য, নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
২০১৮ সালে একটা ছোট্ট দল একটা সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে বসেছিল — বাংলাদেশের মানুষ অনলাইনে বেটিং করতে চান, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বাংলায় নেই, পেমেন্ট ঝামেলার, আর সাপোর্টে কথা বলার উপায় নেই। সেই সমস্যার সমাধান হিসেবেই t678-এর জন্ম।
শুরুতে মাত্র কয়েকটা স্পোর্টস মার্কেট আর সীমিত গেম নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু আমাদের দলের মূল লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা দেশীয় অনুভূতির প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। যেখানে বিকাশে টাকা দেওয়া যাবে, বাংলায় সাহায্য পাওয়া যাবে, আর খেলাটা নিরাপদ এবং স্বচ্ছ হবে।
আজ ছয় বছর পরে t678 বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন বেটিং সম্প্রদায়গুলোর একটা। ২০ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী, প্রতিদিন হাজারো লেনদেন এবং একটা বিশ্বস্ত নাম — এটাই আমাদের গল্প।
বাংলাদেশের বাজারে দেশীয় ভাষায় বেটিং প্ল্যাটফর্মের স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম দিন থেকেই বিকাশে পেমেন্টের সুবিধা।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের চাহিদায় লাইভ বাকারা, রুলেট ও অ্যান্ডার বাহার গেম যোগ হলো। বাংলায় ডিলার পরিষেবা শুরু।
অ্যান্ড্রয়েড ও iOS-এ t678 অ্যাপ প্রকাশিত। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মোবাইলে গেমিং সহজ হলো।
নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেল। স্পোর্টস বেটিং বিভাগ বড় হলো, ফুটবল ও কাবাডি বাজার যোগ হলো।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় t678-এর ব্যবহারকারী। লটারি ও ক্র্যাশ গেম বিভাগ সংযোজন, পূর্ণ বাংলা কাস্টমার কেয়ার সেবা।
t678 যে কারণে বাংলাদেশের বেটারদের প্রথম পছন্দ
গেমের নিয়ম থেকে কাস্টমার সাপোর্ট — t678-এর সব কিছু বাংলায়। লাইভ ক্যাসিনোর ডিলাররাও বাংলায় কথা বলেন। বাংলাদেশের মানুষ যেন ঘরের মতো অনুভব করেন।
ব্যাংক কার্ড বা বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতির ঝামেলা নেই। বিকাশ, নগদ, রকেট — পরিচিত পদ্ধতিতে সেকেন্ডে ডিপোজিট করুন এবং জেতার পর টাকা ফেরত পান।
t678 আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। SSL এনক্রিপশন, দুই-স্তরের যাচাই এবং নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ — আপনার তথ্য ও টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
প্রতিটি গেমের ফলাফল সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) দিয়ে নির্ধারিত হয়। কোনো মানুষ বা সিস্টেম ফলাফল পূর্বনির্ধারণ করতে পারে না।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও t678-এর সাপোর্ট টিম বাংলায় সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইল এবং ফোনে যোগাযোগের সুবিধা।
t678 বিশ্বাস করে গেমিং আনন্দের হওয়া উচিত, আসক্তির নয়। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ড সেট করার সুবিধা সব ব্যবহারকারীর জন্য আছে।
t678 তৈরি হয়েছে কিছু মূল বিশ্বাসের উপরে। এই বিশ্বাসগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি আপডেটে এবং প্রতিটি সাপোর্ট কথোপকথনে প্রতিফলিত হয়।
"আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ — গ্রামে হোক বা শহরে — একটা বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পান। সেটাই t678-এর আসল লক্ষ্য।"
— t678 প্রতিষ্ঠাতা দল
প্রতিটি গেমের RTP, ওয়েজারিং শর্ত এবং পেমেন্টের নিয়ম স্পষ্টভাবে প্রকাশিত। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডেটা সর্বোচ্চ এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত রাখা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
সকলের জন্য সমান সুযোগ। VIP হোন বা নতুন সদস্য — প্রতিটি গেম সবার জন্য একই নিয়মে চলে।
t678 শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম না, এটা একটা সম্প্রদায়। বাংলাদেশের বেটারদের সাথে আমরা একসাথে বড় হচ্ছি।
বাজারের পরিবর্তনের সাথে t678 সব সময় নতুন গেম, ফিচার ও সুবিধা আনতে প্রস্তুত।
বিনোদন যেন ক্ষতির কারণ না হয় — সেই দায়িত্ব t678 সর্বদা অনুভব করে এবং সেই মতো কাজ করে।
অভিজ্ঞ, নিবেদিত এবং বাংলাদেশকে ভালোবাসেন এমন মানুষরা
প্রযুক্তি ও ফিনটেক খাতে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদনের বিকাশে বিশ্বাসী।
মোবাইল প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষজ্ঞ। t678-এর প্ল্যাটফর্ম সুরক্ষিত রাখার দায়িত্বে।
গেমিং ও ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতার ডিজাইনে দশ বছরের কাজ। প্রতিটি ফিচার ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তৈরি।
বাংলাদেশের বেটারদের সমস্যা সমাধানে নিরলস। t678-এর ২৪/৭ সাপোর্ট টিমের নেতৃত্বে।
একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টাকা রাখার আগে আপনার সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক। t678 সেই সন্দেহ দূর করতে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রথমত, t678 আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। এই লাইসেন্স পেতে কঠোর আর্থিক ও নিরাপত্তা অডিটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। দ্বিতীয়ত, সব গেমের ফেয়ারনেস তৃতীয় পক্ষের অডিটিং সংস্থা নিয়মিত যাচাই করে।
তৃতীয়ত, t678-এ ব্যবহারকারীর আমানত আলাদা অ্যাকাউন্টে রাখা হয় — কোম্পানির পরিচালনা খরচের সাথে মেশানো হয় না। এর মানে হলো যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনার টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা আছে।
t678 কেবল একটা ব্যবসা না। এটা বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন শিল্পের একটা অংশ। আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি, এবং সেই বিনোদন যদি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল হয় তাহলে সমাজের কোনো ক্ষতি নেই।
আমরা লক্ষ্য করেছি যে বাংলাদেশের অনেক মানুষ আগে অনিরাপদ বা অস্বচ্ছ প্ল্যাটফর্মে বেটিং করতেন। t678 সেই জায়গায় একটা বিকল্প হিসেবে এসেছে — যেখানে নিয়মটা স্পষ্ট, পেমেন্ট দ্রুত, আর প্রতারণার কোনো সুযোগ নেই।
আমাদের ব্যবহারকারীরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে কুড়িগ্রাম, বান্দরবান পর্যন্ত সব জায়গায় আছেন। কেউ ক্রিকেট ভালোবাসেন, কেউ লাইভ ক্যাসিনোতে সময় কাটান, কেউ সপ্তাহে একবার লটারির টিকেট কেনেন। এই বৈচিত্র্যটাই t678-এর শক্তি।
t678-এ আসা প্রতিটি মানুষের ফিডব্যাক আমরা সিরিয়াসলি নিই। গত ছয় বছরে যে আপডেটগুলো এসেছে তার বেশিরভাগই এসেছে ব্যবহারকারীদের পরামর্শ থেকে। নগদ পেমেন্ট যোগ হয়েছে কারণ অনেক ব্যবহারকারী চেয়েছিলেন। বাংলা লাইভ ডিলার এসেছে কারণ অনেকে ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না।
আমরা নিখুঁত না — কখনো কখনো সার্ভার ধীর হয়, কখনো কোনো গেমে সমস্যা হয়। কিন্তু যখনই কোনো সমস্যা হয়, t678 দ্রুততার সাথে সেটা সমাধান করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দেয়। এই সততাটাই আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি।
t678 সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে
২০ লাখ বাংলাদেশি ইতোমধ্যে t678-এ তাদের বিনোদনের জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। আজই আপনার অ্যাকাউন্ট খুলুন।
১৮+ বছরের ব্যবহারকারীদের জন্য। দায়িত্বশীল গেমিং নীতি পড়ুন।