t678-এর লটারি বিভাগে প্রতিদিন নতুন সুযোগ। সকালে টিকেট কিনুন, রাতে ড্র দেখুন — আর ভাগ্য ভালো থাকলে বিকাশে সরাসরি পুরস্কার পান। কোনো জটিলতা নেই, কোনো অপেক্ষা নেই।
প্রতিটি ধরনে আলাদা সুযোগ, আলাদা পুরস্কার
সপ্তাহে দুবার ড্র। ৬টি সংখ্যা সঠিক হলে কোটি টাকার জ্যাকপট।
প্রতিদিন রাত ৯টায় ড্র। ছোট বাজেটে বড় পুরস্কারের সুযোগ।
৫ মিনিটে ড্র! যেকোনো সময় টিকেট কিনুন, ৫ মিনিটেই ফলাফল।
কিনেই জানুন জিতলেন কিনা। অপেক্ষার কোনো ঝামেলা নেই।
১–৮০-এর মধ্যে সংখ্যা বাছাই করুন। যত বেশি মিলবে তত বেশি পুরস্কার।
৫টি সাদা বল + ১টি পাওয়ার বল। বোনাস বল মিললে অতিরিক্ত পুরস্কার।
মাত্র চারটা ধাপ, একদম সহজ
t678-এ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন এবং লটারি বিভাগে যান।
মেগা, ডেইলি, কুইক পিক বা স্ক্র্যাচ — পছন্দের ধরন সিলেক্ট করুন।
নিজে সংখ্যা বাছাই করুন অথবা র্যান্ডম কুইক পিক ব্যবহার করুন।
ড্র শেষে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হয়, পুরস্কার সরাসরি ওয়ালেটে।
বাংলাদেশে লটারি মানে এতদিন মনে হতো লম্বা লাইন ধরে কাগজের টিকেট কেনা আর মাসের পর মাস অপেক্ষা। t678 সেই ধারণাটা পুরো বদলে দিয়েছে। এখন ঘরে বসে ফোনে বিকাশে টাকা দিয়ে টিকেট কিনুন, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা — বা কিছু ক্ষেত্রে মাত্র পাঁচ মিনিট — পরে জানতে পারবেন ভাগ্য আপনার পক্ষে কিনা।
t678-এর লটারি সিস্টেমটা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। প্রতিটি ড্র সার্টিফাইড র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর দিয়ে পরিচালিত হয়, যার মানে কারো পক্ষে ফলাফল পূর্বনির্ধারণ করা সম্ভব নয়। ড্রের পর ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে সাইটে প্রকাশিত হয় এবং যাদের টিকেট মিলেছে তাদের ওয়ালেটে পুরস্কার চলে যায় — আলাদা করে দাবি করার কোনো ঝামেলা নেই।
একটা বিষয় অনেকেই জানেন না — t678-এ একসাথে একাধিক লটারিতে অংশ নেওয়া যায়। মানে একই দিনে মেগা লটারির একটা টিকেট, ডেইলি লটারির দুটো টিকেট আর কয়েকটা কুইক পিক নিলে জেতার সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। তবে এটা অবশ্যই বাজেটের মধ্যে করতে হবে।
সিনিয়র খেলোয়াড়দের পরামর্শ
অনেকেই সপ্তাহে একটা নির্দিষ্ট বাজেট রাখেন লটারির জন্য — ধরুন ৳১০০। সেটার মধ্যে ডেইলি লটারির ৫টা টিকেট অথবা মেগার ২টা টিকেট কেনেন। এভাবে নিয়মিত করলে হঠাৎ বড় পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু বাজেটের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকিও নেই।
t678-এর স্ক্র্যাচ কার্ড বিভাগটা বিশেষভাবে তাদের জন্য যারা তাৎক্ষণিক ফলাফল পছন্দ করেন। ৮টিরও বেশি ধরনের স্ক্র্যাচ কার্ড আছে — ক্রিকেট থিম, ঈদ স্পেশাল, পূজা ফেস্টিভ্যাল থিম এবং আরও অনেক। কার্ড কিনে ডিজিটালি স্ক্র্যাচ করলেই মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ জানা যায়।
পুরস্কার বিতরণের বিষয়টা t678-এ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়। ড্র শেষ হওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে ছোট পুরস্কারগুলো সরাসরি ওয়ালেটে চলে যায়। বড় পুরস্কারের (৳১ লাখের বেশি) ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগে কারণ KYC যাচাই করতে হয়, কিন্তু সেটাও সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়।
জ্যাকপট পুরস্কার
বড় পুরস্কার
মাঝারি পুরস্কার
সান্ত্বনা পুরস্কার
ফ্রি টিকেট
t678-এ সত্যিকারের মানুষ সত্যিকারের পুরস্কার জিতছেন
* গোপনীয়তার জন্য নামের শেষাংশ প্রদর্শিত হয়নি।
কেন হাজারো বাংলাদেশি t678-এ লটারি খেলছেন
বিকাশ বা নগদে মাত্র ৳১০ থেকে টিকেট কেনা যায়। ব্যাংক কার্ড বা নগদ টাকার দরকার নেই।
সার্টিফাইড RNG সিস্টেমে ড্র হয়। ফলাফল কারো পক্ষে পূর্বনির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
ড্র শেষ হওয়ার সাথে সাথে SMS ও অ্যাপ নোটিফিকেশনে ফলাফল জানানো হয়।
পছন্দের সংখ্যা সেভ রাখুন, প্রতি ড্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একই সংখ্যায় টিকেট কাটুন।
লটারি সম্পূর্ণ ভাগ্যের খেলা, কিন্তু কিছু কৌশল জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।
বন্ধুদের সাথে মিলে টিকেট কিনলে বেশি সংখ্যার কম্বিনেশন কভার হয়। জিতলে ভাগ করে নিলেও মোট পরিমাণ বড় হয়।
অটো-রিনিউ ব্যবহার করে একই সংখ্যায় প্রতি ড্রে অংশ নিন। এতে কোনো ড্র মিস হওয়ার আক্ষেপ থাকে না।
৩টি সংখ্যা মিলিয়ে ৳২,০০০ জেতাও ভালো। এই টাকা দিয়ে আরও বেশি টিকেট কিনলে পরের সুযোগ আসতে পারে।
প্রথমবার খেলার সময় র্যান্ডম কুইক পিক একটা ভালো শুরু। সংখ্যা বাছাইয়ে সময় না দিয়ে সরাসরি খেলতে পারবেন।
উৎসব ও বিশেষ অনুষ্ঠানে t678 এক্সট্রা বড় পুরস্কার দেয়
প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার সব লটারি টিকেটধারীদের জন্য সুপার ড্র।
t678-এর বার্ষিকীতে বিশাল জ্যাকপট ড্র। সারা বছরের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
সচরাচর জিজ্ঞাসার উত্তর